যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১১ অক্টোবর ২০১৮

ইমপ্যাক্ট (ফেজ-২) প্রকল্প

০১

প্রকল্পের নামঃ

‘‘দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষক্ষ্য ব্যাপক প্রযুক্তি নির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা(২য় পর্যায়)’’[Integrated Management of Resources for Poverty Alleviation Through Comprehensive Technology (IMPACT) (Phase-2)   

০২

বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।

০৩

প্রকল্প পরিচালকেরনাম, পদবী ও মোবাইল নম্বরঃ

মোঃ আবদুল হামিদ খান

উপপরিচালক ( প্রশাসন) ও প্রকল্প পরিচালক

মোবাইল-০১৭১৫১২২৯৬৬

০৪

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যঃ

ক) বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের মাধ্যমে রান্না এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানী ব্যবহারের সম্ভাবনা উন্মোচন;

খ) ক্ষুদ্র ঋণ সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে গ্রামীণ যুবদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বিস্তার;

গ) বায়ো-গ্যাস প্লান্টে পচনশীল বর্জ্যেরযথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকল্প এলাকায় পয়ঃনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দুষণমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা ;

ঘ) রান্নার জন্য জ্বালানী কাঠের ব্যবহার কমিয়ে আনা এবং বন উজাড় রোধ করে দেশের ইকো সিসটেমের উন্নয়ন;

ঙ) খামারে বায়ো-গ্যাস পদ্ধতি প্রবর্তনের সুবিধা সম্পর্কে ডেইরী ও পোল্ট্রি খামারী, স্থানীয় নেতা ও যুবনেতাদের সচেতন করা;

চ) জৈব বর্জ্যের চক্রায়নের মাধ্যমে কৃষি জমিতে ব্যবহারের জন্য মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ জৈব সার উৎপাদনএবং

ছ) গ্রামীণ মহিলাদের জন্য ধোঁয়াবিহীন, আরামদায়ক, স্বাস্থ্যসম্মত এবং সময় সাশ্রয়ী রান্নার সুযোগ সৃষ্টি করা, যাতে তারা এ অতিরিক্ত সময় অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকান্ডে ব্যয় করতে পারে।

০৫

প্রকল্প ব্যয়ঃ

ক) ৭৯৪.৮৬ লক্ষ(রাজস্বঃ৩৬৫৩.০৬লক্ষ+মূলধনঃ ১৪১.৮০লক্ষ )

খ) ২য় সসংশোধিত: ৭৪৭৫.৩৮ লক্ষ (রাজস্বঃ ৫১৬৯.৩৫ লক্ষ+মূলধনঃ২৩০৬.০৩লক্ষ )

০৬

প্রকল্প অনুমোদনের তারিখঃ

ক) মুল:২৬-০১-২০১৪খ্রিঃ

খ)  ১ম সংশোধিত:১৫-১২-২০১৫খ্রিঃ

গ)  ২য় সংশোধিতঃ ০১-০৮-২০১৮খ্রিঃ      

০৭

প্রকল্পের মেয়াদকালঃ

ক) মুল: জানুয়ারি, ২০১৪ থেকে জুন, ২০১৮ পর্যন্ত

খ) সংশোধিত: জানুয়ারি, ২০১৪ থেকে জুন, ২০১৯ পর্যন্ত

০৮

প্রকল্প এলাকাঃ

দেশের ৬১ জেলার ৬৬ উপজেলা ( ৩টি পার্বত্য জেলা ব্যতিত)

০৯

প্রকল্পের মূল কার্যক্রমঃ (সংক্ষেপে)

(ক) বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণে কারিগরী সহায়তা প্রদানঃ

  • প্রকল্পের অভিজ্ঞ বায়োগ্যাস সাব-এসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণের ব্যয় প্রাক্কলন প্রদান করা;
  • অভিজ্ঞ রাজমিস্ত্রি নিয়োজিত করা;
  • প্লান্ট নির্মাণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তত্বাবধান করা, গ্যাসের
  • চুলা প্রজ্জলন/বিদ্যুৎ উৎপাদন পর্যন্ত যাবতীয় সহায়তা প্রদান করা।

(খ) ঋণ সহায়তা প্রদানঃ তহবিলের পর্যাপ্ততা থাকা সাপেক্ষে বায়োগ্যাস প্লান্টের সাইজভেদে ২০,০০০/- থেকে১,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয়। ১০% সার্ভিস চার্জসহ সমুদয় টাকা ২৪টি কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য ।

(গ) সাবসিডি প্রদানঃ প্রতিটি বায়োগ্যাস প্লান্ট সফলভাবে স্থাপন শেষে ৫০০০/-  (পাঁচ হাজার) টাকা (অফেরতযোগ্য) ভর্তুকী প্রদান করা হয়।

(ঘ) ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণঃ পরিবেশ বান্ধব বায়োগ্যাস প্লান্টের ব্যবহার ও উপযোগিতা সম্পর্কে জনগণকে সচেতনও উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় ৬৬টি উপজেলায় ০১(এক) দিনব্যাপি ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। বায়োগ্যাস প্লান্টের উপযোগিতা সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উপজেলা পর্যায়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়ে থাকে । উপজেলা পর্যায়ে স্কুল মাঠ/ মাদ্রাসা/ খেলারমাঠ/ উপজেলাপরিষদ/ ইউনিয়নপরিষদ/ কার্যালয় অথবা যেকোন উপযুক্ত স্থানে দিনব্যাপি ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রতি উপজেলায় বৎসরে ০৪টি  (প্রতি ব্যাচে ২৫জন ) ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ প্রদান করা প্রকল্প মেয়াদে সর্বমোট ৩১০০০জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করার সংস্থান রাখা হয়েছে।

(ঙ)মেশন প্রশিক্ষণঃ টেকসই বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণের লক্ষ্যে প্রকল্প এলাকার রাজমিস্ত্রিদের বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণ কৌশল বিষয়ে বাস্তব প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

(চ) প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণঃ প্রকল্প বাস্তবায়ন কৌশল, বায়োগ্যাস প্রযুক্তি, বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের কলা কৌশল, ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ, ঋণনির্দেশিকা, সাবসিডি নির্দেশিকা, বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রস্তুত সর্বোপরি প্রকল্পের আর্থিক ও প্রশাসনিক বিষয়ে ৩দিন ও ৭দিন ব্যাপি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের জনবলের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ টি আবাসিক। শেখ হাসিনা জাতীয় যুব কেন্দ্র, সাভার, ঢাকা/কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র, সাভার, ঢাকা/যে কোন যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়।

১০

২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে এডিপি বরাদ্দঃ

২০৯.০০ লক্ষ টাকা ( রাজস্বঃ ২০৯ লক্ষ+ মূলধনঃ ০.০০ লক্ষ)

১১

সেপ্টেম্বর/১৮ পর্যন্ত এডিপি বরাদ্দের ব্যয়ঃ

৯৯.০৪ লক্ষ টাকা

১২

ক্রমপুঞ্জিত ব্যয়ঃ

(শুরু থেকে সেপ্টেম্বর/১৮ পর্যন্ত )

৬০৫৬.০৪ লক্ষ টাকা 

 

১৩।  প্রকল্প বাস্তবায়নে সমস্যাঃ

১) প্রাপ্যতার চেয়ে অনেক কম বরাদ্দঃ ২০১৮-১৯ অর্বছরে এডিপি বরাদ্দ মাত্র ২০৯.০০ লক্ষ টাকা। প্রকল্পের চাহিদা ১৫১৮.৩৮ লক্ষ টাকা। চাহিদা অনুযায়ী এডিপি বরাদ্দ প্রদানের জন্য মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রদানসহ যোগাযোগ রাখা অব্যাহত আছে।

২) প্রকল্প মেয়াদ জানুয়ারি/১৪ থেকে জুন/২০১৯ । সংশোধিত হলেও প্রকল্প মেয়াদের একটি বড় অংশ ( প্রায় ২ বৎসর১ মাস ) প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ, ০২(দুই) দফায় ডিপিপি সংশোধন ওজনবল নিয়োগে অতিবাহিত হয়ে যায়।বতমানে ৪টি পদশূণ্য হয়েছে।

৩)সংশোধিত ডিপিপি অনুযায়ী নতুন জনবল নিয়োগে বিলম্ব হওয়া ;

৪)প্রচার প্রচারণা খাতে অর্থের সংস্থান না থাকা;

৫)লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী গবাদিপশু/পোলট্রি খামার না থাকা;

৬) বর্ষাকালে বন্যা এবং অতিবৃষ্টি জনিত কারণে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করতে না পারা(০৩  ফিট গর্ত করার পর পানি উঠে আসা)।  

৭) সংশোধিত ডিপিপিতে প্রকল্প এলাকা পরিবর্তনের জন্য প্রক্রিয়াধীন ২০টি উপজেলায় ০২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারা। বর্তমানে  ৬৬ উপজেলায়ই কার্যক্রম চালু আছে।

৮) গ্রাহকের নিজ খরচে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করতে হয়।  বায়োগ্যাস  প্লান্ট  স্থাপন  বিষয়টি  গ্রাহকের  উদ্বুদ্ধ হওয়ার   উপর নির্ভরশীল। প্রকল্প থেকে শুধুমাত্র কারিগরী ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ঋণ সহায়তা এবং ভর্তুকী বাবদ ৫০০০/- টাকা  প্রদান  করা হয়।

 

১৪.  মন্তব্য/সুপারিশঃ

  • দ্রুত শুণ্যপদে নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা ;

[শূণ্যপদ-৭২টি ( উপজেলা ক্রেডিট এন্ড মার্কেটিং অফিসার-০৬টি, উপজেলা বায়োগ্যাস সাব-এসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার -২১টি, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক-২০টি এবং কমিউনিটি সুপারভাইজার- ২৫টি সর্বমোট -৭২টি ]

  • স্থানীয়/জাতীয় পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে ব্যাপকভাবে প্রচার প্রচারণার ব্যবস্থা করতে হবে;
  • কমিউনিটি বায়োগ্যাস প্লান্ট/সেন্টাল বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের  উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। ফলে যে সকল বাড়িতে পর্যাপ্ত গবাদী পশু নাই সে সকল বাড়িতে বায়োগ্যাসের সুবিধা প্রদান করা করা যেতে পারে;
  • প্রকল্পটি পরিবেশ বান্ধব ও জনমুখী। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে গ্রামীণ মহিলাদের ধোঁয়াবিহীন আরামদায়ক রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ প্রকল্পের কার্যক্রম দেশব্যাপী সম্প্রসারিত হলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠির ব্যাপক জ্বালানি চাহিদা পূরণ হবে। প্রাকৃতিক গ্যাসের/এলপিজির উপরনির্ভরশীলতা কমে আসবে। ক্ষুদ্র ব্যবসা ও আত্মকর্মসংস্থান ও কুটির শিল্প বৃদ্ধি পাবে।গ্রামীণ জনপদের জীবনযাত্রার মানের উন্নতিসহ অর্থনৈতিক উন্নতিতে সহায়ক হবে।

  সেপ্টেম্বর/২০১৮ পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতিঃ

(ক) আর্থিক অগ্রগতিঃ

                                         ( অংকসমূহ লক্ষ টাকায় )

প্রাক্কলিত ব্যয়

জুন/২০১৮ পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত ব্যয়

২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে(ADP)  সেপ্টেম্বর/২০১৮ পর্যন্ত অগ্রগতি

২০১৮-১৯ অর্থবছর সেপ্টেম্বর/২০১৮ পর্যন্ত বাস্তব কাজের অগ্রগতি

সেপ্টেম্বর/২০১৮ পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত অগ্রগতি

(প্রাক্কলিতব্যয়ের %)

বরাদ্দ

অর্থছাড়

(বরাদ্দের %)

অর্থব্যয়

(অবমুক্তির %)

(বরাদ্দের %)

৭৪৭৫.৩৮

লক্ষ টাকা।

( জিওবি- ৬৩৭৮.০৪ লক্ষ টাকা, প্রকল্পের     ১ম পর্যায় হতে স্থানান্তরিত তহবিল-১০৯৭.৩৪ লক্ষ )

৫৯৫৭

(৭২.৪৩%)

২০৯.০০

৯৯.০৪

(৪৭%)

৯৯.০৪

 

 (অবমুক্তির -১০০%)

(বরাদ্দের -  ৪৭%)

 

লক্ষ্যমাত্রা-১০০৬২টি

 

বায়োগ্যাস  প্লান্ট নির্মাণ

অগ্রগতি-১৪৭১টি

(১৫%)

 

 

 

 

আর্থিকঃ

৬০৫৬.০৪

(৮১.০১ )

বাস্তবঃ ২২৩৯৭টি

( ৭২.২৪% )

 

(খ)  বাস্তব অগ্রগতি ( সেপ্টেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত)ঃ

কার্যক্রম

প্রকল্প মেয়াদে লক্ষ্যমাত্রা

অর্থবছর

ক্রমপুঞ্জিত অগ্রগতি

 

প্রকল্প মেয়াদে

জুন/২০১৯

পর্যন্ত সম্ভাব্য অগ্রগতি (%)

২০১৩-১৪

২০১৪-১৫

২০১৫-১৬

২০১৬-১৭

 

২০১৭-১৮

 

২০১৮-১৯

বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন

৩১০০০টি

৪৯০টি

৩৫৮৫টি

৭৯৯৮টি

৮৮৬৫টি

১৪৭১টি

২২৪০৯টি

৩১০০০টি

(১০০%)

ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ

২৯৩০০জন

৪৩২৫জন

১০০২৫জন

৬৫৫০জন

৫১০০জন

-

২৬০০০জন

 

২৯৩০০জন (১০০%)

মেশন প্রশিক্ষণ

১৯৮০জন

৬৬০জন

৬৬০জন

৬৬০জন

-

-

 

১৯৮০জন

(১০০%)

আবর্তক ঋণ তহবিল

১০০০.০০

লক্ষ

-

-

৪৯৯.৮১

লক্ষ

৩৯৯.৭৮

লক্ষ

১০০.৪১

লক্ষ

-

 

-

 

 

১০০০.০০লক্ষ

(১০০%)

কর্মশালা

১টি

-

-

-

-

-

-

-

১টি

 

প্রকল্প মেয়াদে অবশিষ্ট ১০০৬২টি বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের  কর্মপরিকল্পনা  ও  বাস্তবায়নে  গৃহীত  পদক্ষেপ সমূহঃ

১। প্রচার প্রচারণা বৃদ্ধিকল্পে এলাকার উলেস্নখযোগ্য স্থানে ব্যানার/ফেস্টুন/সাইনবোর্ড এ বায়োগ্যাসের উপকারীতা সম্পর্কে তথ্যাদি প্রদর্শন, উপকারভোগীদের সাক্ষাতকার ভিডিও করে প্রচারণার কাজে                       ব্যবহার,স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় অথবা  ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণের পত্র নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

২। উপজেলা পর্যায়ের উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের জনবলের সাথে গত ১৬-০৫-২০১৮ তারিখে মহাপরিচালক মহোদয়ের সভাপতিত্বে দিনব্যাপি মতবিনিময় সভা করে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে  বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা ১০০% বাসত্মবায়নের জন্য উপজেলাওয়ারী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতঃ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা  হয়েছে।

৩। মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে আলোচনা সভা করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে লক্ষ্যমাত্রা বাসত্মবায়নে উদ্ধুদ্ধকরণ ও  প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।

৪। মাঠ পর্যায়ে উদ্ভুত যে কোন সমস্যা দ্রুত সমাধান করা হচ্ছে।

৫। প্রতিদিন প্রকল্পের পিআইইউ কার্যালয়ের ০৪(চার) জন কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্তৃক উপজেলা ভাগ করে টেলিফোনে নিয়মিত মনিটরিং এবং অগ্রগতি ফলোআপ করা হচ্ছে।

৬। জনবল কম থাকায় পার্শববর্তী উপজেলায় শুণ্যপদে বিদ্যমান কর্মকর্তাগণকে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে কাজের গতি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

৭। ফেসবুক পেজ(www.facebook.com/dyd.impact)  এবং impact project, phase-iiগ্রুপের  মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণের সাথে নিয়মিত যোগাযোগসহ প্লান্টে কাজের স্বচিত্র অগ্রগতির তথ্য শেয়ার করা হচ্ছে।

                                                                                                                     


Share with :

Share with :

Facebook Facebook