যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৭ অক্টোবর ২০১৮

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাইক্রোফাইনান্স কার্যক্রম

 

          যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর যুবদের সার্বিক কল্যানে যে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে তৎমধ্যে রাজস্ব ও উন্নয়ন কর্মসুচির মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দীর্ঘ ও স্বল্প মেয়াদি দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান, প্রশিক্ষিত যুবদের আয় সঞ্চারণমূলক কর্মকান্ড/আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত করার লক্ষ্যে মাইক্রোফাইনান্স কর্মসূচি বাস্তবায়ন, যুব সংগঠন সমুহকে কার্যকর ও উৎপাদশীল কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা এবং ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের বেকার যুবদের প্রশিক্ষণ ও দুই বছর মেয়াদে অস্থায়ী কাজে নিযুক্তিকরণ অন্যতম। বিভিন্ন গবেষনা ও অভিজ্ঞতা হতে দেখা যায় মাইক্রোফাইনান্স সহায়তার মাধ্যমে প্রশিক্ষিত বেকার যুব গোষ্ঠির আর্থসামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম। এ প্রক্রিয়ায় প্রশিক্ষিত যুবগণ উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্তির সুযোগ পেয়ে থাকে ফলে দেশ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর দেশব্যাপী ০৩(তিন) ধরণের মাইক্রোফাইনান্স কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা যথেষ্ট না থাকায় এ সকল কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত যুবদের মাত্র ১০ হতে ১২ ভাগকে এ সহায়তার আওতায় আনা সম্ভব হয়।

 

ক. আত্মকর্মসংস্থান সৃজনের জন্য ব্যক্তিভিত্তিক মাইক্রোফাইনান্স কার্যক্রম।

 

খ. আয় সঞ্চারণমূলক কাজের জন্য গ্রুপভিত্তিক মাইক্রোফাইনান্স কার্যক্রম।

 

গ. আত্মকর্মী হতে উদ্যোক্তা উন্নয়ন মাইক্রোফাইনান্স কার্যক্রম (প্রস্তাবিত)।

ক.

আত্মকর্মসংস্থান/ব্যাক্তিকেন্দ্রিক মাইক্রোফাইনান্স কার্যক্রমঃ

 

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক বিভিন্ন জেলা উপজেলা হতে দীর্ঘ  ও স্বল্প মেয়াদি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবদের দ্বারা স্ব-স্ব ক্ষেত্রে সৃজিত আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প সম্প্রসারণের জন্য দেশের সকল উপজেলা হতে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ক.ক

সেবা প্রাপ্তির শর্তাবলীঃ

   ১।

 যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর হতে স্বল্প/দীর্ঘ মেয়াদি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুব;

   ২।

 যিনি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিষয়ে পরীক্ষমূলক প্রকল্প (পাইলট) শুরু করেছেন;

   ৩।

 আবেদনকারীর পক্ষে প্রকল্প তদারকি ও ঋণ ফেরতের অংগীকার প্রদানে সক্ষম এমন একজন ৩য় পক্ষ নিশ্চয়তাকারীর প্রয়োজন হবে, যিনি ৩০০/- ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অংগীকার প্রদান করবেন।

   ৪।

 নিশ্চয়তাকারী যে পরিমান টাকার জন্য নিশ্চয়তা প্রদান করবেন তাকে ন্যুনপক্ষে তার দ্বিগুণ পরিমান মূল্যের স্থাবর সম্পদের দলিল, পর্চা ও দাখিলা জমা দিতে হবে (বন্ধক নয়)। এ ধরনের নিশ্চয়তাকারী না পাওয়া গেলে

   ৫।

 সরকারী, আধাসরকারী, বেসরকারী  প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীগণও নিশ্চয়তাকারী হতে পারবেন।

   ৬।

 প্রশিক্ষণ গ্রহনের সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত ঋণ সুবিধা গ্রহনের সুযোগ থাকবে।

ক.খ

সেবা প্রাপ্তির পদ্ধতিঃ

   ১।

একজন যুব যিনি উপরের শর্তাবলী পুরণে সক্ষম তিনি নিজ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বরাবরে তার তথ্যাদি (ঠিকানা, প্রশিক্ষণের নাম, প্রকল্পের বিবরণ, নিজের ও নিশ্চয়তাকারীর নাম ও মোবাইল নং) উল্লেখপূর্বক সাদা কাগজে দরখাস্ত জমা দেবেন। অবশ্য গোপালগঞ্জ, মাগুরা, খুলনা, নারায়নগঞ্জ, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, নরসিংদী, রংপুর, ভোলা, ব্রাহ্মনবাড়ীয়া ও সাতক্ষীরা জেলার প্রত্যাশীগণ www.dyd.gov.bd অথবা যুউঅ.বাংলা website হতে ঋণের প্রাথমিক আবেদন ঘরে ক্লিক করে অনলাইনে দরখাস্ত জমা করতে পারবেন। পর্যাযক্রমে প্রত্যেক জেলাকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।

   ২।

দরখাস্ত জমার ২০ দিনের মধ্যে আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট অফিস হতে তার আবেদনের ফলাফল অবহিত করা হবে।

   ৩।

তিনি যোগ্য বিবেচিত হলে তাকে নগদ ২০/- টাকার বিনিময়ে মুল আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে বলা হবে।

 

   ৪।

প্রত্যাশীকে আবেদনপত্রের তথ্যাদি যথাযথভাবে পূরণ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসে জমা প্রদান করতে হবে।

ক.গ

পরিমাণ, মেয়াদ, গ্রেসপিরিয়ড, দফা এবং পরিশোধ পদ্ধতিঃ

   ১।

অধিদপ্তরের প্রাতিষ্ঠানিক (আবাসিক+অনাবাসিক জেলা হতে) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন যুব তার প্রকল্পের বিনিয়োগ নির্বিশেষে প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ ৬০,০০০/- টাকা, দ্বিতীয় মেয়াদে ৮০,০০০/- এবং তৃতীয় মেয়াদে ১,০০,০০০/- টাকা ঋণ পেতে পারেন।

   ২।

অধিদপ্তরের উপজেলা পর্যায় হতে অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন যুব তার প্রকল্পের বিনিয়োগ নির্বিশেষে প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ ৪০,০০০/- টাকা, দ্বিতীয় মেয়াদে ৫০,০০০/- এবং তৃতীয় মেয়াদে ৬০,০০০/- টাকা ঋণ পেতে পারেন।

   ৩।

ঋণের পরিমাণের ভিত্তিতে প্রকল্পের মেয়াদ দুই হতে তিন বছর পর্যন্ত হবে অর্থাৎ ২৪/৩০/৩৬ টি মাসিক কিস্তিতে সার্ভিসচার্জসহ ঋণ পরিশোধ করতে হয়।

   ৪।

প্রথমে গৃহীত ঋণ সঠিক ও সুষ্ঠু ব্যবহার অর্থাৎ যথাযথভাবে প্রকল্প বিনিয়োগ এবং প্রকল্প লাভজনকভাবে পরিচালনার শর্তে তিনি ২য় বা ৩য় বার ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

   ৫।

নির্ধারিত কমিটি কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত ঋণের অর্থ ক্রসচেকের মাধ্যমে বিতরণ করা হয় বিধায় প্রত্যাশীর নামে একটি ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে।

   ৬।

ঋণ হিসাবে বিনিয়োগকৃত অর্থ উৎপাদনে আসার লক্ষ্যে ১-৩ মাস গ্রেসপিরিয়ড, ঋণ মঞ্জুরী কমিটি কর্তৃক অনুমোদনের সুযোগ রয়েছে। এসময়ে ঋণের কিস্তি ও সার্ভিসচার্জ হিসাব ও আদায় করা হয়না এবং পরিশোধও করতে হয়না।

ক.ঘ

ব্যক্তিগত সঞ্চয়ঃ

মাইক্রোসেভিংসকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মঞ্জুরীকৃত ঋণের ৫% ব্যক্তিগত সঞ্চয় এবং প্রতি কিস্তির সাথে মাসিক ৫০/- হারে সঞ্চয় জমা করতে হয়। জমাকৃত অর্থ প্রকল্প মেয়াদান্তে ফেরত প্রদান করা হয়।

ক.ঙ

সার্ভিসচার্জঃ

প্রদত্ত ঋণের উপর পুরুষ, নারী ও প্রতিবন্ধিদের জন্য যথাক্রমে ১০%, ৯% ও ৮% হারে ক্রমহ্রাসমান পদ্ধতিতে সার্ভিসচার্জ আদায় করা হয়। উদাহারণস্বরুপ বলা যায় এ প্রক্রিয়ায় একজন ২৫০০০/- টাকার ঋণ গ্রহণকারীকে ১০% হারে নির্ধারিত মেয়াদে (২ বছর) আসলের অতিরিক্ত ২৭০০/- টাকা সার্ভিসচার্জ পরিশোধ করতে হয়।

ক.চ

রেকর্ড সংরক্ষণঃ

প্রত্যেক ঋণ গৃহীতাকে ১টি পাশ বই প্রদান করা হয়। পাশবইতে মঞ্জুরীকৃত ঋণের পরিমাণ, সঞ্চয়ের পরিমাণ এবং পরিশোধিত ঋণ ও সার্ভিসচার্জের পরিমান,আদায়ের তারিখ সংশ্লিষ্ট কর্মচারী(সিএস) লিপিবদ্ধ করে তাকে ফেরত প্রদান করবে। পাশবইটি ঋণীর ব্যক্তিগত সম্পদ। কোনভাবেই সরকারী আদেশ ব্যতীরেকে তিনি তার পাশবই কারো কাছে হস্তান্তর করবেন না।

খ.

গ্রপভিত্তিক মাইক্রোফাইনান্স বা পরিবারভিত্তিক ঋণ কর্মসূচিঃ 

এ কার্যক্রমটি প্রান্তিক দরিদ্র যুব জনগোষ্ঠিকে সমর্থন দেয়ার লক্ষ্যে প্রনীত হয়েছে। সাধারণভাবে এ ধরণের যুবদের পক্ষে অসচেতনতা, দরিদ্রতা ও পশ্চাদপদতার কারণে  জেলা এবং উপজেলায় গমন করে প্রাতিষ্ঠানিক বা অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা সম্ভব হয়ে উঠে না। এ প্রক্রিয়ায় যারা সেবা গ্রহণ করবেন তাদেরকে কখনও উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসে আসতে হয় না বা আবেদন জানতে হয়না। বরং উপজেলা অফিস তাদের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা মাফিক লক্ষ্যভূক্ত গ্রাম নির্বাচন করে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। প্রতিবছর উপজেলাসমূহে ১-৩টি গ্রাম নির্বাচন করে কেন্দ্র গঠনের লক্ষ্যমাত্রা থাকে।

খ.ক

   ১.

গ্রপ সদস্য নির্বাচনঃ

এ প্রক্রিয়ায় লক্ষ্যভূক্ত গ্রামের পরিবারগুলোকে নির্ধারিত মানদন্ডেরভিত্তিতে জরিপ করে কাংখিত পরিবার এবং পরিবার হতে গ্রুপসদস্য বাছাই করা হয়। পরিবার এবং গ্রুপসদস্য বাছাইয়ের মানদন্ডসমূহ নিম্নরূপ;

   ১.১

যে সকল পরিবারের সম্পদের পরিমান ২ লক্ষ টাকার কম, বার্ষিক আয় ৫০,০০০/- টাকার নিচে এবং আবাদযোগ্য ভূমির পরিমাণ এক একরের কম সে সকল পরিবারকে বাছাইকরা হয়।

   ১.২

বাছাইকৃত পরিবার হতে ১৮-৪৫ বছর বয়স্ক (ছাত্র/ছাত্রী, চাকুরীজীবি এবং জনপ্রতিনিধি বাদে) কর্মক্ষম সদস্যদের গ্রুপসদস্য হিসাবে বাছাই করা হয়।

খ.খ

দল এবং কেন্দ্র গঠনঃ

 

প্রতিটি পরিবারের ৫জন সদস্য, যদি না পাওয়া যায় পার্শ্ববর্তী পরিবারের (রক্তসম্পর্কীয়) সদস্য নিয়ে ৫ জনের ১টি গ্রুপ তৈরি করা হয়। এ রকম ৮-১০টি গ্রুপ নিয়ে ১টি কেন্দ্র গঠিত হয়। প্রতিটি গ্রুপের জন্য একজন গ্রুপ (সাধারণভাবে পরিবারপ্রধান) এবং প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য ১জন সভাপতি এবং ১জন সচিব নির্বাচিত হয়। গ্রুপ প্রধান তার সদস্যদের কর্মকান্ড অর্থাৎ ঋণের অর্থ যথাযথ ব্যবহার ও ফেরত প্রদানের জন্য দায়ী থাকেন এবং দলের সদস্যদের কেন্দ্র সভায় (সাপ্তাহিক) উপস্থিত করার জন্য কাজ করে থাকেন। কেন্দ্র প্রধান ও সচিব কেন্দ্রের সকল সদস্যদের ঋণ ব্যবহার ও ফেরত প্রদান, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, সাপ্তাহিক সভার আয়োজন, সদস্যদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং অধিদপ্তরের প্রতিনিধিকে তার কাজ ঋণ আদায় এবং রেকর্ড সংরক্ষণে (পাশবই ও কেন্দ্র রেজিস্টার লিপিবদ্ধ) প্রয়োজনীয় সহায়তা করে থাকেন। কেন্দ্রগুলি তৃণমুল পর্যায়ে উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের অনানুষ্ঠানিক অফিস হিসাবে কাজ করে থাকে। কেননা এ সেবা গ্রহণের জন্য আবেদন, যোগাযোগ, ঋণ ফেরত প্রদানের জন্য তাদেরকে কখনও উপজেলা অফিসে গমন করতে হয়না। অফিসের প্রতিনিধি কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে সেবা প্রদান করে থাকেন। কেন্দ্র সাধারণত কেন্দ্রপ্রধান/সচিব অথবা কোন গ্রুপ প্রধানের বাড়ীতে/আঙ্গিনায় স্থাপিত হয়। প্রত্যেক কেন্দ্রে কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়।

খ.গ

উপকারভোগী প্রশিক্ষণ এবং ঋণ বিতরণঃ

 

এ কার্যক্রমের জন্য বাছাইকৃত উপকারভোগীগণকে দলে এবং কেন্দ্রে সংগঠিত করার পর তাদের সমন্বয়ে কেন্দ্র পর্যায়ে ৫দিনে (২০ ঘন্টার) ঋণের যথাযথ ব্যবহার, ফেরত প্রদান এবং সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণকালীন উপকারভোগীগণের এ সংক্রান্ত কাগজপত্র তৈরি ও সংগ্রহ করা হয় এবং যথাযথ প্রশিক্ষণ সম্পাদনের ভিত্তিতে গঠিত গ্রুপগুলোকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কর্তৃক চূড়ান্ত স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষনের শেষ দিন প্রত্যেক সদস্যকে তার বিপরীতে মঞ্জুরীকৃত ঋণ অর্ডার চেকের মাধ্যমে কেন্দ্রে বিতরণ করা হয়। উপকারভোগীগণকে ঋণের অর্থ নগদায়ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে গমন করতে হয়।

খ.ঘ

ঋণের পরিমাণ, কিস্তি, গ্রেসপিরিয়ড, গ্রুপ সঞ্চয় এবং পরিশোধ পদ্ধতিঃ

   ১.

প্রথম বছরে গ্রুপের প্রতি সদস্য সর্বোচ্চ ১২০০০/- ঋণ সুবিধা পাবেন। প্রথম বছরে গৃহিত ঋণ নির্ধারিত প্রকল্পে যথাযথ ব্যবহার এবং মূল্যায়নের ভিত্তিতে পরবর্তী ২য় এবং ৩য় বছর যথাক্রমে জনপ্রতি সর্বোচ্চ ১৬০০০/- এবং ২০০০০/- টাকা ঋণ প্রদান করা হয়। এভাবে একটি পরিবারের ৫জন সদস্য ১ম বছরে ৬০,০০০/- ২য় বছরে ৮০,০০০/- এবং ৩য় বছরে ১,০০,০০০/- টাকা ঋণ সুবিধা পেতে পারেন।

   ২.

গৃহিত ঋণ সাপ্তাহিক কিস্তিতে মোট ৫০ কিস্তিতে আসল এবং ৫১ ও ৫২ তম সপ্তাহে ১০% হারে (ক্রমহ্রাসমান) সার্ভিসচার্জ পরিশোধ করতে হয় এবং এভাবে ঋণের মেয়াদ ১বছর শেষ হয়।

   ৩.

গৃহিত ঋণ ব্যবহার করার সুবিধার্থে সদস্যগণ ২ সপ্তাহ গ্রেসপিরিয়ড পেয়ে থাকেন সে সময়ে কিস্তি এবং সার্ভিস চার্জ আদায় করা হয়না। সাপ্তাহিক কিস্তির সাথে জনপ্রতি ২০/- টাকা সঞ্চয় (ফেরতযোগ্য) জমা প্রদান করতে হয়।

   ৪.

সদস্যগণকে মঞ্জুরীকৃত ঋণের ৫% গ্রুপ সঞ্চয় (ফেরতযোগ্য) হিসাবে জমা প্রদান করতে হয়।

খ.ঙ

কেন্দ্র সভাঃ

 

উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের নির্ধারিত কর্মকর্তা(সিএস) কেন্দ্রের সভাপতি, সচিব এবং গ্রুপ প্রধানের সাথে আলোচনা করে তাদের সুবিধাজনক সময়ে সাপ্তাহিক সভার দিন ও সময় নির্ধারণ করবেন। তিনি নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে কেন্দ্র সভার মাধ্যমে ঋণের কিস্তি ও সার্ভিসচার্জ আদায় পাশবই এন্ট্রি এবং কেন্দ্র রেজিস্টার লিপিবদ্ধ করবেন। কেন্দ্রসচিব সভাপতি এবং দলপ্রধান যথাসময়ে সভার আয়োজন, সদস্যদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের প্রতিনিধিকে কিস্তি আদায় এবং রেকর্ড লিখনে সহায়তা দেবেন। কোন সদস্য অফিসের পক্ষ হতে নির্ধারিত কর্মকর্তা ব্যতিরেকে কিস্তির টাকা দলপ্রধান, সচিব বা কেন্দ্রপ্রধানের কাছে জমা করবেন না।

খ.চ

রেকর্ড সংরক্ষণঃ

 

কেন্দ্রের প্রত্যেক সদস্যকে ঋণের যাবতীয় তথ্য সম্বলিত একটি পাশবই অফিসের পক্ষ হতে সরবরাহ করা হবে। কর্মকর্তা সাপ্তাহিক কিস্তি আদায় করে তা স্ব-স্ব পাশবইতে এন্ট্রি করে সংশ্লিষ্টদের পাশবই ফেরত প্রদান করবেন। পাশবই ঋণীগণের ব্যক্তিগত সম্পদ। কর্তপক্ষের লিখিত আদেশ ব্যতীত কোন পাশবই কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা অথবা অন্য কারো কাছে হস্তান্তর নিষিদ্ধ। কেন্দ্র রেজিস্টারটি কেন্দ্রের সম্পদ। সাপ্তাহিক সভার কার্যক্রম কিস্তি আদায় বিবরনী, সভায় আলোচিত বিষয় এ রেজিস্টারে কর্মকর্তা কর্তৃক যথাযথভাবে এন্ট্রি লিখে স্বাক্ষর করার পর কেন্দ্র প্রধান ও সচিব স্বাক্ষর করে রেজিস্টারটি তাদের হেফাজতে সংরক্ষণ করবেন।

 

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাইক্রোফাইনান্স (ঋণ) কার্যক্রমের (চলতি মাস, চলতি বছর এবং ক্রমপুঞ্জিত)অগ্রগতির সংক্ষিপ্ত তথ্যঃ

 

মাসের নামঃ আগস্ট/২০১৮

 

ক. কার্যক্রমের অগ্রগতিঃ

কর্মসূচির নাম বিতরণের পরিমাণ চলমান মাস (লক্ষ টাকায়) সুবিধাভোগীর সংখ্যা (চলমান মাস) চলতি বছরের এ পর্যন্ত মোট ক্রমপুঞ্জিত মোট ঋণ সংখ্যা
পুরুষ নারী মোট পুরুষ নারী মোট পুরুষ নারী মোট চলমান মাস চলমান বছর ক্রমপুঞ্জিত মোট
১০ ১১ ১২ ১৩ ১৪
আত্মকর্ম ঋণ বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক ঋণ ২৬৫১.৫২ ১৮৮৬ ১৩৪৬ ৩২৩২ ১৯৩১ ১৩৯৩ ৩৩২৪ ২০৫৪৫৯ ১৩০৮৫৮ ৩৩৬৩১৭ ৪৩৯২ ৫৬৬৩ ৪৬৯৮২৭
পরিবারভিত্তিক/বা গ্রুপ ঋণ ৩৭৭.৯১ ৫৪৩ ৫৩৯ ১০৮২ ৮৭৬ ৮১০ ১৬৮৬ ৩৪৬৫০০ ২৩১২২৬ ৫৭৭৭২৬ ১৫৮৮ ২০৪৩ ১১৬৭৩১৮
মোট ৩০২৯.৪৩ ২৪২৯ ১৮৮৫ ৪৩১৪ ২৮০৭ ২২০৩ ৫০১০ ৫৫১৯৫৯ ৩৬২০৮৪ ৯১৪০৪৩ ৫৯৮০ ৭৭০৬ ১৬৩৭১৪৫
 

খ. কার্যক্রমের ক্ষুদ্র সঞ্চয় স্থিতিঃ

(লক্ষ টাকায়)

ক্রমিক নং কর্মসূচির নাম ব্যক্তিগত/গ্রুপ সঞ্চয় (৫% সঞ্চয়) মাসিক/সাপ্তাহিক সঞ্চয় (৫০টাকা/২০টাকা মোট সঞ্চয় স্থিতি
আত্মকর্ম ঋণ বা ব্যক্তি কেন্দ্রিক ঋণ ৮১৮.৬১ ২৪৫৫.৯৭ ৩২৭৪.৫৮
পরিবারভিত্তিক/বা গ্রুপ ঋণ ৮১.৯৫ ১২৩৩.২৩ ২২১৫.১৮
মোট ১৮০০.৫৬ ৩৬৮৯.২০ ৫৪৮৯.৭৬

 

 

 


Share with :

Share with :

Facebook Facebook